অ্যাকুয়াকালচার সীড সিস্টেমকে শক্তিশালী করতে ইয়ন অ্যাকুয়াকালচার ও ওয়ার্ল্ডফিশ’র যৌথ উদ্যোগ

বাংলাদেশে আরও বৃহৎ পরিসরে মৎস্য চাষিদের কাছে উন্নত মানের মাছের পোনা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে একটি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ইয়ন অ্যাকুয়াকালচার লিমিটেড এবং ওয়ার্ল্ডফিশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoA) স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সম্প্রতি রাজধানীর তেজগাঁওস্থ ইয়ন কনভেনশন সেন্টারে ইয়ন অ্যাকুয়াকালচার লিঃ এর পক্ষে ইয়ন গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ এর চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোমিন উদ দৌলা ও ওয়ার্ল্ডফিশ বাংলাদেশ এর পক্ষে কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. এ টি এম ফারুক-উল ইসলাম উক্ত সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

এই অংশীদারিত্বটি সিজিআইএআর (CGIAR)-এর ‘স্কেলিং ফর ইমপ্যাক্ট’ (S4I) সায়েন্স প্রোগ্রামের অ্যাকুয়াটিক সলিউশন ট্র্যাক-এর অন্তর্ভুক্ত। এটি ওয়ার্ল্ডফিশ-এর বিজ্ঞান ও এর ‘সীডকম্প্যাক্ট’ (SeedCompact) সরবরাহ পদ্ধতির সাথে ইয়ন-এর উৎপাদন ও সরবরাহ নেটওয়ার্কের সমন্বয় ঘটাবে। নতুন কিছু তৈরি করার পরিবর্তে এটি ইতিমধ্যে চাষিদের সেবা প্রদানকারী হ্যাচারি, নার্সারি এবং মাছের পোনা ব্যবসায়ীদের মাধ্যমেই কাজ করবে, যাতে চাষিরা আরও নির্ভরযোগ্যভাবে উন্নত মানের পোনা পেতে পারেন এবং এই সরবরাহের সাথে জড়িত ব্যক্তিরা আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে বলে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

উক্ত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ড. এম. গোলাম হোসেন (অ্যাকুয়াকালচার এডভাইজার, ইয়ন অ্যাকুয়াকালচার লিঃ), ড. খন্দকার মুর্শেদ-ই-জাহান (সিনিয়র সায়েন্টিস্ট এবং লিড, ওয়ার্ল্ডফিশ অ্যাকুয়াকালচার প্রোগ্রাম, (S4I) সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য যে, ২০২৮ সাল পর্যন্ত চলমান এই অংশীদারিত্ব একটি শক্তিশালী ও আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক অ্যাকুয়াকালচার খাতের প্রতি যৌথ প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন ঘটাবে। ইয়নের হ্যাচারি, নার্সারি এবং পোনা সরবরাহ চেইনের অংশীদারদের সুপ্রতিষ্ঠিত নেটওয়ার্ক—যা বার্ষিক প্রায় ২৫,০০০ মৎস্য চাষিকে সেবা প্রদান করে—সেটিকে কাজে লাগিয়ে এই অংশীদারিত্ব কারিগরি সক্ষমতা জোরদার করবে। একই সাথে এটি উন্নত মাছের পোনা ও টেকসই অ্যাকুয়াকালচার পদ্ধতির সহজলভ্যতা এবং তা গ্রহণের হার বাড়াতে সহায়তা করবে।