কুমিল্লায় জনপ্রিয়তা পাচ্ছে হলুদ চাষ

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে মসলা জাতীয় ফসল হলুদ চাষ। অর্থকরী এই ফসল চাষের ফলে হলুদ গ্রাম নামেই পরিচিতি লাভ করেছে। এখানকার মাটি হলুদ চাষের বেশ উপযোগী আর কম খরচে বেশি লাভবান হওয়ায় যায় বলে হলুদ চাষে কৃষকরা আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

জানা যায়, নোয়াপাড়া গ্রাম ও তার আশেপাশের লালমাই, বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়ায় হলুদ চাষ হয়ে থাকে। এবছর এইসব এলাকা জুড়ে প্রায় ১০ হেক্টর জমিতে হলুদের চাষ হয়েছে। এইসব এলাকায় ‍দিন দিন হলুদের চাষ বাড়ছে বলে জানায় চাষিরা।

নোয়াপাড়া গ্রামের চাষিরা জানায়, জমিতে হলুদ রোপন করার ৬-৭ মাস পরিচর্যার পর পুরো ফলন পাওয়া যায়। তারা ডিমলা, বারী ও স্থানীয় উন্নত জাতের হলুদের চাষ করে থাকেন।

হলুদ চাষি খালেদ হোসনে বলেন, আমি প্রতি বছরই হলুদ চাষ করি। হলুদ চাষে খরচ কম। তবে লাভ হয় ভালো। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে হলুদের বাম্পার ফলন হয়। ফলে আমাদের লোকসান গুনতে হয় না।

চাষি মনোয়ার হোসেন বলেন, হলুদ চাষে খরচ কম হয়। মসলা জাতীয় এই ফসল উঁচু শুকনো জমিতেও ফলানো সম্ভব। অল্প খরচে বেশি লাভ হয় বলে দিন দিন কুমিল্লায় হলুদ চাষ বাড়ছে। এখানকার হলুদ স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় সরবরাহ করা হয়।

কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, এই অঞ্চলে দিন দিন হলুদের চাষ বাড়ছে। মসলা জাতীয় এই ফসল উৎপাদনে খরচ কম হওয়ায় অনেকে ধান বা অন্য ফসল না উৎপাদন করে হলুদ চাষ করছে। কৃষি বিভাগ চাষিদের সব ধরনের পরামর্শ ও সহযোগীতা করছে।